Saturday, July 30, 2016

Jeg ble hilse med ny mormor

Noen dager siden gikk jeg en tur i Badeparken.
Jeg tar mange bilde av sommer naturen. Jeg står under en tre å letter etter noe vakker objekter for å ta bilde. Så kom en person med hund foran meg og hun spurte meg, ''Er du Arifur?''
Jeg sa, ''ja, det er meg.'' 
Hun sa, ''jeg er mormor. Jeg hørte om deg, også har sett vakker bilde som du har tegnet.''
Da hun sa at jeg er mormor, så ble jeg litt overrasket. Plutselig tenker jeg, ''hvilken mormor hun er!!'' Fordi i byer her jeg flere mormor og morfar. 

Selvom har jeg ingen nær familie in europa men jeg har en stort famile i Drøbak byen. 
Derfor jeg er så glad i byen. Jeg mener at Drøbak er en av de vakreste by i Norge som er fult av hyggelige mennesker, og de som har hjerte fult av kjærlighet.
For Eksempel: Jeg har mormor-morfar, onkel-tante, bror-søster og mor. 

Jeg forset tenker om henne hvilken mormor hun er. Så navnet hun at hun kom er tur med Nemo i Badeparken, også vidre. Jeg så til Nemo og så kjente jeg henne en gang, selvom aldri traff jeg henne før, men jeg vet hvem sin hund Nemo er. 

Jeg ble så glad ble kjent med henne og sa jeg, ''Så hyggelig, jeg har også hørte om deg fra Kristin!'' 
Hun sa til meg, ''jeg heter ikke mormor men jeg er mormor av alle, du kan også kalle meg mormor.'' 
Sa jeg, ''JAA!! Selvfølgelig! Det var så hyggelig og ble hilse deg mormor!! Hilse de alle i hjemme.''
Sånn ble jeg hilse med en ny mormor.  Jeg er så heldig!

Friday, July 22, 2016

প্রকৃতি ভ্রমণে একদিন


তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। আজ থেকে পাঁচ বছর আগে মধ্য-দক্ষিণ নরওয়ের পর্বত ঘেরা প্রকৃতি ভ্রমণে গিয়েছিলাম আমার এক বন্ধুর নিমন্ত্রনে। সেদিনের শেষ বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে নিজেকে স্বর্গলোকে আবিষ্কার করেছিলাম এই দেখে যে, সেখানে সময় অসময়ে মেঘেরা আসে পর্বতকে আলিঙ্গন করতে। আমি মেঘের মাঝে হেটে ছিলাম পর্বতের গা বেয়ে। চারিদিকে ঝর্ণার কলকলে ধ্বনি, পাখিদের কিচিরমিচির আর ভূপৃষ্ঠের সবুজ লতা-গুল্মে পুষ্পরাজিরা মেতেছিলো আপন রূপ প্রদর্শনের প্রতিযোগিতায়। সে এক অপরূপ দৃশ্য।
নরওয়েজীয় বন্ধুর বাংলো থেকে গাড়ি চালিয়ে প্রায় এক ঘন্টার পথ পেরিয়ে আমরা গিয়েছিলাম মালভূমি পরিভ্রমনে। মালভূমির উপরেই রয়েছে এক পর্বতমালা। এই অঞ্চলটিকে ঘিরে একাধিক পৌরাণিক গল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। এই স্থানকে নরওয়েজিয়ান ভাষা বলা হয় ''Jotunheimen'' বাংলায় ভাবার্থ দাঁড়ায় ''দৈত্যদের নিবাস''।
ভূপৃষ্ঠে ছোট বড় অসংখ্য পাথর, পানির কলকল ধ্বনি শুনতে পাচ্ছিলাম, পর্বতের গা বেয়ে ছোট বড় অসংখ্য পানির ধারাও চোখে পড়ছিলো। কোথাও পানি জমে ছোট্ট ডোবা বা পুকুরের মত সৃষ্টি হয়েছে আর সেই পানিকে কেন্দ্র করে একধরণের পাখির আনাগোনা চোখে পড়ার মত।
প্রায় জনমানব শূন্য অঞ্চল, আমার খুব ইচ্ছে হয়েছিল পর্বতারোহন করতে। তাই হাটতে হাটতে পর্বত বেয়ে উঠেছিলাম ভূপৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ১৩০০ মিটার উপরে। যতই উপরের দিকে উঠছিলাম তাপমাত্রা ততই গরম অনুভূত হচ্ছিলো, আমি প্রচন্ড ঘামছিলাম। উঠতে উঠতে আমি একটা পর্বতের চূড়ায় উঠেছিলাম। পর্বতের চূড়ায় গরম তাপমাত্রা মধ্যে তুষারের অস্তিত্ব আবিষ্কার করলাম। পর্বতের গা বেয়ে ঠান্ডা জমাট বাঁধা তুষার।

Thursday, July 21, 2016

ঠাকুরবাড়ির ধূলি


১৯৯৩ সাল, শাহজাদপুর শহরে আমি নবাগত। ক্লাস ফাইভে সদ্য ভর্তি হয়েছি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের পাশেই মামার বাসা ছিল।
এর কিছুদিন পর গ্রাম থেকে আমার প্রাণপ্রিয়া নানী আসলেন আমাকে দেখতে। আমি যখন গ্রামে নানীর বাড়িতে থাকতাম তখন নানীর আঁচল ছিল আমার সব কিছু। সে যেখানে যেতো, আমিও তার আঁচল ধরে সেখানেই যেতাম। তো যাই হোক নানী এসেছেন আমাকে শাহজাদপুর শহর ঘুরে দেখতে। সবার প্রথমে তিনি আমাকে রবি ঠাকুরের কাচারী বাড়ি দেখবেন। তো আমি আর নানী রওনা হয়েছি, নানীর আঁচল ধরে হাটছি। নানী বলছিলেন, ''সেই অনেক আগের কথা, ঠাকুরেরা ছিল এই এলাকার জমিদার। একবার রবি ঠাকুর এর নৌকো আমার নানা বাড়ির ঘাটে ভিড়িয়ে ছিলো। আমার মা তখন ছোট্ট বালিকা। তিনি নিজ হাতে বকুল ফুলের মালা গেঁথে রবি ঠাকুরকে উপহার দিয়েছিলেন।'' 
তিনি আরো বলছিলেন, ''রবি ঠাকুর এই শাজাদপুরের মাটিতে বসে অনেক গান, কবিতা, গল্প রচনা করেছেন। যেমন, আমাদের ছোট নদী, তাল গাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে, পোস্টমাস্টার, কীর্তি, ছুটি, সমাপ্তি, ইত্যাদি। রবি ঠাকুর আমাদের বিশ্ব কবি। আমাদের জাতীয় সংগীত তাঁর লেখা। সারা বিশ্ব চেনে তাঁকে এক নামে।''
শুনে গর্বে আমার চোখ ছলছল করতে লাগলো। 
নানীর সাথে রবি ঠাকুরের কাচারী বাড়ি ঘুরে ঘুরে দেখলাম, নিজ হাতে লেখা বিভিন্ন পাণ্ডুলিপির নমুনা, তাঁর আঁকা চিত্রকর্ম। আরো দেখলাম তাঁর ব্যবহৃত পালঙ্ক, সোফা, আলনা, আয়না, আরাম কেদারা, খড়ম, হুঁকো, ফুলদানি, রান্নাঘরে ব্যবহৃত তৈজসপত্র, লণ্ঠনসহ অনেক কিছু।'' 
এরপর নানী বললেন, ''রবি ঠাকুর আজ নেই, কিন্তু তার পায়ের ধূলো ঠিকই রয়ে গেছে এই মাটিতে।'' বলেই তিনি কাচারী ঘরের মেঝে থেকে কিছু ধূলো আমার গায়ে-গালে-কপালে লেপন করে দিলেন আর বললেন, ''রবি ঠাকুরের মতন বড় মানুষ হইয়ো।''
কোনো ঈশ্বর আমাকে বর দেয়নি কোনো দিন, তবে আমার নানী আমাকে বর দিয়েছিলেন সেদিন। তাঁর হাতের ধুলো মাখা বর আমার প্রাণে প্রদীপ জ্বেলে ছিল।

এরপর ঠাকুরবাড়ির ধূলি গায়ে মেখে নানীর আঁচল ধরে হযরত শাহ মখদুম-এর মাজারের দিকে রওনা হলাম। 

Saturday, July 16, 2016

সুলতান - Sultan (2016 film)


এক কথায় মন্তব্য: অসাধারণ একটি প্রেম-ক্রীড়া বিষয়ক কাহিনীচিত্র। 

এক কথায় কাহিনী: সুলতান, যে তার লক্ষ্যার্জনের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং সে সর্বদা সফলকাম হয়। 

আমার সমালোচনা: বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসী যেমন তার রান্নায় নুডুলসের ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার দেখিয়ে থাকেন। তেমনি এই চলচ্চিত্রে ভিডিওকনের ডিস এন্টেনার ভিন্ন ভিন্ন ব্যবহার এবং এর উপস্থিতি বেশ লক্ষ্যণীয়। যেমন: হোন্ডার পিছনে ভিডিওকনের ডিস এন্টেনা। এমনকি এই চলচ্চিত্রে ডিশ এন্টিনা বিষয়ক একটি গানও আছে। 
তাই এটিকে ভারতীয় দূরদর্শন প্রতিষ্ঠান ভিডিওকনের পূর্ণদর্ঘ্য বিজ্ঞাপন এবং আনুসাঙ্গিক ঘটনা প্রবাহের সমন্বয়ে নির্মিত একটি কাহিনীচিত্র বলা যেতে পারে। 

Thursday, July 14, 2016

আমার সংগীত সাধনা - ২


আমি তখন শাহজাদপুর সরকারি কলেজে স্নাতক অধ্যায়ন করছি। তখন প্রতিদিন সন্ধ্যায় ইটিভিতে ''বন্ধন'' নামে একটা ধারাবাহিক নাটক দেখাতো। পুরো নাটকটা  খুব কম-ই দেখা হতো, তবে অর্ণবের কণ্ঠে শীর্ষ সংগীত ''ব্যস্ত শহরে'' কখনোই দেখা বাদ দিতাম না, গানটা আমার ভীষণ প্রিয় ছিল শুধু এই কারণে দেখতাম প্রতিবার। শীর্ষ সংগীত শুনতে শুনতে একদিন আমার-ও গান গাইতে ইচ্ছে জাগলো মনে। টিভি পর্দায় চোখ রেখে অর্ণবের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে যেই না গাইতে শুরু করেছি, ''ব্যস্ত শহরে, ঠাস বুনোটের ভিড়ে, আজও কিছু মানুষ স্বপ্ন খুঁজে ফেরে। ব্যস্ত শহরে ....'' 
অমনি, পিছন থেকে এক অনুজা আমাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দিলো এই বলে, ''ব্যাস, অনেক হয়েছে, ভাঙা গলায় কুকুরের মত আর ঘেউ ঘেউ করতে হবে না, এবার থামো।'' সঙ্গে সঙ্গে আমি সম্বিৎ ফিরে পেলাম।  ধমকে ব্যবহৃত শব্দ সমূহ খুবই অপ্রত্যাশিত ছিল। 
অনুজা নিয়মিত সংগীত চর্চা করেন, ওস্তাদের কাছ থেকে রবীন্দ্র-নজরুল ও অন্যান্য সংগীতের বিষয়ে তালিম নিতেন। তাই হয়তো আমার কর্কশ কণ্ঠে গান গাওয়ার চেষ্টাকে তিনি গানের অপমান মনে করে কুকুরের ঘেউ ঘেউ এর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এইরূপ তুচ্ছ তাচ্ছিল্যতা আমার অন্তরে ভীষণ পীড়া দিয়েছিলো।
সেই সময় তার ঐ কথাগুলোকে অপমান ছাড়া আর কিছুই মনে করতে পারি নি, তার ঐ রূঢ় কথা গুলো আমার মনে ভীষণ দাগ কেটেছিল। 
তবে একদিন আমিও তাকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম যে, ''আমিও গান গাইতে পাড়ি।'' 

Wednesday, July 13, 2016

আমার সংগীত সাধনা - ১

আমি তখন নবম-দশম শ্রেণীর ছাত্র। আমার এক অনুজা সংগীত চর্চা করতো, মূলত তাকে তালিম দিতেই বাড়িতে নিয়মিত গানের ওস্তাদ আসতো। মাঝে মধ্যে অনুজাকে সঙ্গে করে সংগীত বিদ্যালয়ে নিয়ে যেতাম, তার গান শেখা অব্দি সেখানে বসে থাকতাম, গান শেখা শেষ হলে তাকে সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে আসতাম। গানের ওস্তাদকে সবাই মামা বলে সম্বোধন করতো তাই সকলের দেখাদেখি আমিও মামা বলে সম্বোধন করতাম। তিনি অনেক আন্তরিক ও স্নেহপরায়ণ মানুষ ছিলেন।
অনুজা গানের তাল-লয়-রাগ থেকে শুরু করে রবীন্দ্র-নজরুল-আধুনিক গান শিখতো আর আমি পাশে বসে বসে সংগীত অনুরাগী শ্রোতার মতন একাগ্র চিত্তে শুনতাম। সংগীতের প্রতি আমার মনোযোগ দেখে একদিন গানের ওস্তাদ আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ''কি গান শিখবে?'' আমি মৃদু হেসে মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দিয়েছিলাম। হারমোনিয়ামে আঙ্গুল রেখে যেই সারেগামা শুরু করেছি অমনি পাশ থেকে একজন বলে উঠলো, এই কর্কশ কন্ঠীকে গান না শিখিয়ে ডুগি-তবলা বাঁজানো শেখান তাও একটা কাজের কাজ হবে, অন্তত (অনুজাকে ইঙ্গিত করে) ওর গানের সাথে বাঁজাতে পারবে।
আশাহত আমি হারমোনিয়াম ছেড়ে ডুগি-তবলা বাঁজানো শেখা শুরু করলাম। খুব মনোযোগ দিয়ে শিখতে লাগলাম সেই সাথে সকাল সন্ধ্যায় সাধনা-ও করতে লাগলাম, ''তেড়ে কেটে তাকো। তাকো, তাকো, তেড়ে কেটে তাকো।''
একদিন সন্ধ্যায় গানের ওস্তাদ আসলো, আমি খাটের নিচ থেকে ডুগি-তবলা বের করেই মর্মাহত। ডুগি-তবলা দুটোরই মাঝ বরাবর ফাঁড়া। বুঝতে আর বাকি রইলো না, কেউ একজন ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার সংগীত সাধনায় বাগড়া দিতেই ধারালো কিছু দিয়ে ডুগি-তবলা ফেঁড়ে রেখেছিলো। 
অবশেষে ঈর্ষাকারীর জয় হলো, তবলা বাঁজানো শিখতে গিয়ে, তবলা ফাঁটানোর অপবাদ মাথায় নিয়ে সংগীত সাধনার পাঠ চুকালাম। 
(চলবে)

Monday, July 11, 2016

চড়ুই চলচ্চিত্র

গত পরশু দিন বিকেলে আমি আর আমার এক প্রবীণ বন্ধু শহরের সৌন্দর্য দর্শনের জন্য আলোকচিত্রগ্রহণযন্ত্র সঙ্গে নিয়ে বের হয়েছিলাম। ঘন্টা খানেক হাঁটার পর প্রবীণ বন্ধটি আমাকে মধ্যাহ্ন ভোজের আমন্ত্রণ জানালেন।
পথের পাশেই দেখতে পেলাম একটি রেস্তোরাঁ সামনে ছোট্ট একটি বাগান। বাগানটিও রেস্তোরাঁর অংশ, বাগানের চারপাশে ফুল ও সবজির গাছ ভেতরে কিছু সারণী ও কেদারা সাজানো আছে।
সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম কিছু চড়ুই পাখি আনাগোনা করছে। আমার সঙ্গে থাকা  আলোকচিত্রগ্রহণযন্ত্র দিয়ে চিত্র ধারণ করতে লাগলাম আর খাবারের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। রেস্তোরাঁর পরিবেশক খাবার দিয়ে যাওয়া মাত্রই বনরুটি ছিঁড়ে ছিঁড়ে চড়ুই গুলোকে খাওয়াতে লাগলাম আর চিত্র ধারণ করলাম।

অনেকদিন চলচ্চিত্র সম্পাদনার কাজ করা হয়না তাই ভাবলাম পরশুদিনের ধারণ করা চলচ্চিত্র অংশ সম্পাদনা করে কিছু একটা করা উচিত। তাই আজ  সারা সন্ধ্যা বসে বসে পনেরো মিনিটের খসড়া চলচ্চিত্র কে কেঁটে-ছেঁটে তিন মিনিটের চূড়ান্ত চলচ্চিত্রে রূপ দিলাম। চলচ্চিত্রের রং সংশোধন করার সাথে সামান্য একটু দৃশ্যমান প্রভাবও প্রয়োগ করেছি।

পুনশ্চ: চেষ্টা করে যাচ্ছি আমার লেখায় শত ভাগ বাংলা শব্দের ব্যবহার করতে। তাই বেশ কিছু ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপ দেয়ার চেষ্টা করেছি। শব্দ গুলি আপনার পছন্দ হয়ে থাকলে আপনিও ব্যবহার করতে পারেন আপনার লেখায়। নিম্নে কিছু ইংরেজি শব্দের বাংলার্থ দেয়া হলো।

আলোকচিত্রগ্রহণযন্ত্র = Camera
সারণী = Table
কেদারা = Chair
রং সংশোধন =  Color Correction
দৃশ্যমান প্রভাব = Visual Effects